জালাল উদ্দিন/টোয়েন্টিফোর মিডিয়া ডটকমঃ
রংপুরে পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘিরে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। দিন যত যাচ্ছে নগরীর ছোট-বড় শপিংমল, মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলোতে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। গত দুই বছরের লোকসান পুষিয়ে নিতে ব্যস্তসময় পার করছেন বিক্রেতারা। আর ঈদ উদযাপনে ক্রেতারা খুঁজছেন শখ, সাধ্য আর পছন্দের পোশাক। রংপুরে সকাল থেকে ঈদ বাজার জমতে শুরু করলেও ভিড় বাড়ছে সন্ধ্যার পর থেকে।
নগরীর বিভিন্ন মার্কেট খোলা থাকছে রাত ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত। পোশাকের পাশাপাশি জুতা, কসমেটিকস ও জুয়েলারি দোকানগুলোতেও ভিড় বেড়েছে।নজরকাড়া বাহারি ডিজাইন ও রকমারি পোশাকে ছেয়ে গেছে নগরীর ফুটপাত থেকে অভিজাত মার্কেটগুলো। অভিজাত শপিংমলগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানেও একদরের ফাঁদে বিরক্ত অনেকেই। দাম নিয়ে আপত্তির শেষ নেই ক্রেতাদের। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষরা ঈদ বাজারে এসে দরকষাকষিতে হাঁপিয়ে উঠছেন।
বিক্রেতারা বলছেন, পণ্যের গুণগতমান ও ডিজাইনের ওপর দাম নির্ভর করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে পুরো বিভাগের অন্তত ২০-২৫ লাখ মানুষ বিভাগীয় এই শহর থেকে ঈদের কেনাকাটা করবে।।শনিবার (২৩ এপ্রিল) সরকারি ছুটির দিন হওয়াতে রংপুরে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রংপুর নগরীর সুপার মার্কেট, জাহাজ কোম্পানি শপিংমল, জেলা পরিষদ কমিউনিটি মার্কেট, গোল্ডেন টাওয়ার মার্কেট, মোস্তফা সুপার মার্কেট, মতি প্লাজা, সিটি প্লাজা, ছালেক মার্কেট, হনুমানতলা মার্কেট, আরএমসি শপিং কমপে-ক্সসহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, প্রতিবারের মতো এবারের ঈদ বাজারেও উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতাদের বেশির ভাগই ঝুঁকেছেন নতুন কালেকশন নিয়ে।
নগরীর ভাসমান (ভ্যানে করে) দোকানগুলোতে ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট, ছোট শিশুদের পোশাক বেশি বিক্রি করতে দেখা গেছে। দামও অনেকটাই সহনীয়। কাপড়ের ধরন ভেদে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা থেকে শুরুকরে সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা মূল্যে পোষাক বিক্রি হচ্ছে। রিকশাচালক ইব্রাহিম নগরীর সিটি বাজারের কাছে ফুটপাতে তার দুই ছেলের জন্য প্যান্ট ও শার্ট কিনছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে কথা হয়।